চিরতা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নিন
নিশ্চয়ই আপনি চিরতা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহী। আগ্রহী হবেন না কেন চিরতা খাওয়ার উপকারিতা ও পুষ্টি গুনাগুন এত বেশি পরিমাণে রয়েছে। জানলে আপনিও চিরতা খাওয়ার নিয়ম গুলো জেনে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করে দিবেন। তাইতো চিরতা খাওয়ার উপকারিতা ও চিরতা খাওয়ার অপকারিতা বিস্তারিত জেনে নিন।
চিরতা খেতে তিতো হলেও এর উপকারিতা গুলো অনেক ভালো। আপনি যদি চিরতা খেতে পছন্দ না করেন। তাহলে আপনি এর পুষ্টি গুনাগুন ও উপকার গুলো থেকে বঞ্চিত হবেন। তাহলে আর দেরি না করে বিস্তারিত পড়ে জেনে নিন।
পোস্ট সূচীপত্রঃ
চিরতা খেলে কি হয়
আমরা সকলেই কমবেশি চিরতা নামক গাছটি চিনে থাকবো। প্রাচীন কাল থেকেই আয়ুর্বেদিক ঔষধি নামে এটি সুপরিচিত। সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে এটির ব্যবহার শুরু হয় বলে জানা যায়। তারপরে ১৮৩৯ সালে ইউরোপের দিকে ব্যবহার শুরু হয়। এই চিরতা খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে যে উপকারিতা গুলো অন্য কোন গাছের মধ্যে পাওয়া যায় না।
চিরতা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, এলার্জি প্রতিরোধ, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় নিরাময়, শারীরিক ও দৈহিক শক্তি যোগায়। তাইতো নিয়মিত চিরতা খাওয়ার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। তবে নিয়ম না মেনে খাওয়াই রয়েছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। ভারতের হিন্দি ভাষায় চিরেইতা বলে সম্বোধন করা হয়। আর বাংলাদেশে চিরতা নামে অভিহিত করা হয়।
আরো পড়ূনঃ ক্যাপসিকাম খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
চিরতা পাতার স্বাদ খেতে অনেকটাই তিতো। তাই তো অনেকেই চিরতা খেতে পছন্দ করেনা। ঠিক এমনই ভাবে তুলসী পাতা, করলা, পুদিনা পাতা এগুলো খেতে অনেক তিতো। কিন্তু তবুও এই খাবারগুলো খাওয়া উচিত। কারণ এই সকল খাবারের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সহ আরো অনেক রোগের নিরাময়ক হিসেবে কাজ করে। তাই তো এই সকল গাছ বাসায় লাগানো উচিত।
চিরতা খাওয়ার উপকারিতা
ডায়াবেটিসের জন্য উপকারীঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য চিরতা খেলে উপকারিতা পাওয়া যাবে। যারা শারীরিক পরিশ্রম বা শরীর চর্চা করেন। তারা দিনের যেকোনো সময় চিরতা ভেজানো পানি খেতে পারেন। সকালে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। চিরতা আপনার ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
আরো পড়ূনঃ পাথরকুচি পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা
১। পেটের জন্য উপকারীঃ চিরতা পেটের মধ্য থেকে বিষাক্ত পদার্থ, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মত জীবানু নিরাময়ের জন্য সহযোগিতা করে। পেট ফাঁপা, পেট ব্যথা, পেট ফুলে থাকা, বমি বমি ভাব হওয়া, পিত্তি গরম হয়ে যাওয়া এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে চিরতা। তাই নিয়মিত চিরতা খেলে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
২। ত্বকের সৌন্দর্যঃ ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য চিরতা খাওয়ার মধ্যে রয়েছে উপকারিতা। ত্বকের মধ্যে থাকা টক্সিন ও ইনফেকশন এর হাত থেকে চিরতা রক্ষা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্রণ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। আগে তুলনায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে পারে।
৩। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণঃ যাদের খাবার হজম হতে অনেক সমস্যা হয়। এই হজম সমস্যার জন্য উপকারী হবে চিরতা পানি খাওয়া। ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার জন্য নিয়মিত চিরতা খেতে পারেন। চিরতা আপনার পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা থেকে উদ্ধার করতে দারুন ভূমিকা পালন করে।
৪। রক্ত বৃদ্ধির জন্য উপকারীঃ শরীরের রক্তস্বল্পতার কারণে শারীরিক ও দৈহিক দুর্বলতা অনুভব হয়। শারীরিক দুর্বলতা দূর করার জন্য রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। রক্তস্বল্পতার কারণে অ্যামোনিয়ার সমস্যা দেখা দেয়। আর এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিত চিরতা পানি খেতে পারেন। যেটি খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে আরো অনেক ধরনের উপকারিতা মিলবে।
৫। গ্যাসের জন্য উপকারীঃ এখন প্রায় মানুষের অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য চিরতার পানি খেতে পারেন। এর মধ্যে ওই সকল গুনাগুন রয়েছে যা আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান করবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চিরতা খাওয়ার মধ্যে এর উপকার বেশি পাবেন।
৬। এলার্জির জন্য উপকারীঃ যাদের শরীরে এলার্জি জনিত সমস্যা রয়েছে। তারাই জানে এটি কতটা যন্ত্রণাদায়ক একটি অনুভূতি। এলার্জির কারণে চুলকাতে চুলকাতে ত্বক ও চোখ সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ফুলে যায়। এমনকি চুলকাতে চুলকাতে রক্ত পর্যন্ত বের হয়ে যায়। এই এলার্জির কারণে যেখানে সেখানে চুলকাতে ইচ্ছা করে। এই এলার্জিকে শরীর থেকে ভাগানোর জন্য চিরতা ভেজানো পানি খেতে পারেন।
৭। রক্ত পরিশুদ্ধকরনঃ চিরতা রক্ত থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করবে। রক্তকে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে থাকে চিরতা। পাশাপাশি রক্ত বৃদ্ধি করতেও সহযোগিতা করে থাকে। তাই নিয়মিত চিরতা খেতে থাকুন।
আরো পড়ূনঃ গাজরের উপকারিতা ও অপকারিতা
৮। শারীরিক শক্তিঃ চিরতা খাওয়ার মধ্যে রয়েছে উপকারিতা। শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে হলে চিরতা খেতে পারেন। যা আপনার যৌনশক্তি বৃদ্ধি করতেও সহযোগিতা করবে।
৯। চুল ভালো রাখেঃ চুলের জন্য চিরতার মধ্যে রয়েছে দারুণ উপকারিতা। যাদের উঠতে বসতে চুল ওঠার সমস্যা রয়েছে। চিরুনি দিয়ে মাথা হাচড়ালে চুল উঠে, গোসলের সময় চুল ওঠে, ঘুম থেকে ওঠার পরে দেখা যায় বালিশে চুল পড়ে আছে যা চুলের গোড়া দুর্বল হওয়ার কারণে হয়। চুলের গোড়া মজবুত করার জন্য চিরতার পানি ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন গোসলের সময় চিরতা ভেজে পানি ব্যবহার করুন। ব্যবহারের কিছুদিন পরেই এর ফলাফল পাওয়া যাবে।
১০। ক্ষতস্থান সারানোর জন্য উপকারীঃ যাদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে কাটা ছেড়ার দাগ রয়েছে অথবা কেটে গেছে। তারা চিরতা পাটাই ভালো করে বেটে পেস্ট করে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দিন। কিছুদিন পরেই ওই ক্ষতস্থানটি শুকিয়ে ভালো হয়ে যাবে।
১১। জ্বরের জন্য উপকারীঃ কখনো না কখনো জ্বরের মতো রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর যে কখনো জ্বরে আক্রান্ত হয়নি। তাই প্রায় শরীর আক্রান্ত হওয়া এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য চিরতা খেতে পারেন। কিছু দিন চিরতার রস খেলেই জ্বর থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে।
১২। অতিরিক্ত ওজন কমাতে দারুন উপকারিঃ অতিরিক্ত ওজন যেন মানুষের জন্য একটি অভিশাপ। এই অভিশপ্ত জীবন বয়ে নিয়ে বেড়ানো খুবই কষ্টকর। আপনি যদি নিয়মিত চিরতা খেতে থাকেন তাহলে একটা সময় পর ওজন কমে আসবে। তাই অতিরিক্ত ওজন কমাতে নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে চিরতার পানি খেতে পারেন।
চিরতা খাওয়ার নিয়ম
প্রত্যেকটি খাবারের কিছু কিছু নিয়ম রয়েছে। যে নিয়ম গুলো মেনে খাবার খাওয়ার মাধ্যমেই খাবারটির উপকারিতা গুলো পাওয়া যায়। যেমন চিরতা খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে ওই নিয়মগুলো মেনে খেলেই তার যথাযথ উপকারিতা গুলো পাবেন। কারণ নিয়ম না মেনে খাওয়ার কারণে চিরতার যে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াগুলো আছে তা দেখা দিতে পারে। তাই যথাযথ নিয়ম মেনে খাওয়াই ভালো।
- ২৫০ গ্রাম হালকা গরম পানির মধ্যে কিছু পরিমাণ চিরতা অর্থাৎ ৭ থেকে ৮ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রাখুন। কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা ভিজিয়ে রাখবেন। এরপরে পরিষ্কার কোন ছাকনি দিয়ে ছেঁকে খেয়ে ফেলুন।
- একটি পাত্রে ৫০০ গ্রাম পানি নেন এরপর ওই পানিটির মধ্যে এক মুঠো চিরতা ফেলে দিন। এরপরে পানিটি চুলাতে গরম করতে থাকুন। যতক্ষণ না পানিটি ২০০ গ্রামে রূপান্তরিত হচ্ছে। রূপান্তরিত পানিটি পরিষ্কার কোন ছাকনি দিয়ে ছেঁকে নিবেন। তারপরে ওই পানি টুকু ১২ ঘন্টা পর পর খাবেন।
- ২৫০ গ্রাম পানির মধ্যে ৭ থেকে ৮ গ্রাম চিরতা ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপরে ছেঁকে পানিটি খেয়ে ফেলুন। ওই পানিটি দিনে দুই থেকে তিনবার খাবেন।
- ২১০ গ্রাম পানির মধ্যে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে ৫ ঘন্টা রাখুন। এরপরে পানিটি ভালো করে ছেঁকে নিন। ছাকাকৃত পানির মধ্যে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন।
- একমুঠো চিরতার পাতা তেলে ভেজে শরীরে লাগাতে পারেন। যেই সকল স্থানে চুলকানি জনিত সমস্যা রয়েছে শুধুমাত্র ওই স্থানগুলোতেই লাগাবেন। এতে করে আপনার চুলকানি ভালো হবে।
আরো পড়ূনঃ কাঁচা বাদাম খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
চিরতা খাওয়ার অপকারিতা
আমরা ইতিমধ্যে পড়েছি চিরতা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে কিন্তু এখন জানবো চিরতা খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে। কিছু কিছু খাবারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে সেগুলো জানা প্রয়োজন। ঠিক এমনই ভাবে চিরতা খাওয়ারও কিছু অপকারিতা রয়েছে। যেগুলো প্রত্যেকেরই জেনে রাখা উচিত।
আরো পড়ূনঃ প্রতিদিন কতটুকু কিসমিস খাওয়া উচিত
- গর্ভবতী মায়েদের চিরতা খাওয়া যাবেনা। যদি খেতে হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।
- যাদের ডায়বেটিস রয়েছে তারা খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। খুবই সচেতনতার সাথে ডায়াবেটিস রোগীদের চিরতা খাওয়া উচিত।
- চিরতা খেতে অনেক তিতো এইজন্য প্রথম বার খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে।
- অতিরিক্ত পরিমাণে চিরতা খেলে গ্যাস্ট্রিক ও এলার্জির সমস্যা হতে পারে।
- অবশ্যই চিরতা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
চিরতা কি কিডনির ক্ষতি করে
আসলেই কি চিরতা কিডনির ক্ষতি করে এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় অনেক গবেষণায় দেখা গেছে চিরতা কিডনির জন্যেও উপকারী হিসেবে কাজ করে। কিডনিকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। আবার অনেক গবেষণায় দেখা গেছে চিরতা খেলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। আপনার যদি কিডনির সমস্যা থেকে থাকে অথবা খেতে ইচ্ছুক কিন্তু ভয় পাচ্ছেন। তাহলে ভালো কোন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চিরতা খেতে পারেন।
খালি পেটে চিরতা খাওয়ার উপকারিতা
আসলেই কি খালি পেটে চিরতা খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে। জানলে অবাক হবেন সবচেয়ে বেশি উপকারিতা কিন্তু পাওয়া যায় খালি পেটে চিরতা খাওয়ার মাধ্যমে। আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চিরতা খেতে পারেন। অন্যান্য যেকোনো সময় খাওয়ার থেকে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। মূলত চিরতা খালি পেটে খেতেই বলা হয়। এখন খালি পেটে চিরতা খেলে কোন উপকারিতা গুলো পাওয়া যায়।
- কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যার সমাধানের সহায়তা করে।
- পেট ব্যথা ও পেট ফোলা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে।
- খালি পেটে চিরতা খেলে গ্যাসের সমস্যায় সমাধানে দারুন ভূমিকা পালন করে।
- তারপরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে।
- রক্ত ও শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
- খালি পেটে চিরতা খেলে দ্রুত ওজন কমাতে সহায়তা করে।
চিরতা কতদিন খাওয়া যায়
দেখুন কত দিন পর্যন্ত চিরতা খেলে ভালো হয় এটি সঠিক ভাবে বলা যায় না। কারণ পৃথিবীর সকল মানুষের শারীরিক অবস্থা ও সক্ষমতা একই রকম হয় না। তাই এই ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে বলা যায় না। তবুও একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রে টানা দুই সপ্তাহ চিরতা খাওয়া যায়। এর মাঝে আবার এক সপ্তাহ ফাঁকা রাখা খুবই ভালো।
চিরতা কোথায় পাওয়া যায়
চিরতা কিনতে হলে বাজারের দোকানগুলোতে যেতে হবে। সেইখানে চিরতা কিনতে পাওয়া যায় অথবা বিভিন্ন অনলাইন শপ রয়েছে সেখান থেকেও কিনতে পারেন। তবে কেনার আগে অবশ্যই খাবারটি ভালো কিনা খারাপ সেটি দেখে কিনুন কারন বাজারে অসাধু ব্যবসায়ের অভাব নেই। সব থেকে ভালো হয় কোন স্বনামধন্য দোকান অথবা অনলাইন শপ গুলো থেকে কিনতে পারলে।
শেষ কথা
প্রিয় পাঠক ইতিমধ্যে চিরতা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিয়েছেন। এই বিস্তারিত তথ্যগুলো জেনে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন। তাহলে আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে তথ্যটি শেয়ার করুন। তাদেরকেও চিরতা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিন। পুরো তথ্যটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এসএইচ নিউজস্টোরের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url