ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ - ক্যারিয়ার কেমন
ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ তা জানার জন্য খোঁজাখুঁজি করছেন। কিছুক্ষণের জন্য খোঁজাখুঁজি বন্ধ করে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ হবে তা জেনে নিতে পারেন। কারণ এখানে সেই সকল কাজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যা থেকে কম সময় ব্যয়ের মাধ্যমে অধিক টাকা ইনকাম করা যাবে। আবার ফ্রিল্যান্সিং এর ক্যারিয়ার কেমন সেই সম্পর্কেও জানতে পারবেন। তাই এদিক-ওদিক খোঁজাখুঁজি না করে সরাসরি এখান থেকে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ হবে জেনে নিতে পারেন।
যারা ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে চাচ্ছেন। বিশেষ করে নতুনভাবে যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সাথে যুক্ত হতে চাচ্ছেন তাদের জন্য শুভকামনা। কিন্তু নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিছু জিনিস জানা উচিত। তার মধ্যে প্রথম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ হবে এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন তাহলেই এক ধাপ এগিয়ে যাবেন।
পোস্টসূচিপত্রঃ
ভূমিকা
আমরা হয়তো অনেকের মুখে শুনে থাকবো ফ্রিল্যান্সিং শিখে কাজ করার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা যায়। কথাটি কি আসলেই সত্য না কি গুজব। আবার এখন কি আর নতুনরা ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ শিখে উপার্জন করতে পারবে। আর যদি শিখতে চাই তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ হবে এই সকল চিন্তা আপনাদের মাথায় ঘুরতে পারে।
এই কথাটা সত্য যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করে মাসের লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছে। কিন্তু এর জন্য তাদের রয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য। বর্তমানেও নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর খোলা রয়েছে। তারাও তাদের দক্ষতা দেখিয়ে মাসের লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারে। কিন্তু তার জন্য মনের জেদ ও কঠোর পরিশ্রম সাথে ধৈর্য থাকতে হবে।
আরেকটি কথা হচ্ছে আগ্রহ না থাকলে সফলতা পাওয়া কষ্টকর। কিন্তু যারা নতুন রয়েছে তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিংয়ের কোন কাজ সহজ হবে তা অনেকেই জানেনা। তাই আপনারা যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নতুন এবং সহজ কাজ খুঁজছেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক ধরনের সহজ কাজ রয়েছে। ওই কাজগুলো করার মাধ্যমে নতুন অবস্থায় অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। মার্কেটপ্লেসগুলো নতুনদেরকে সুযোগ দিয়ে থাকে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য।
ফ্রিল্যান্সিং কি
যে পেশায় নিজের ইচ্ছা ও স্বাধীনতা রয়েছে তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে একটি মুক্ত পেশা। এই পেশাতে আপনাকে কেউ বলবে না এই কাজটা করো নিজের যখন ইচ্ছা তখন করতে পারবেন। এজন্য এটাকে মুক্ত পেশা বলা হয়। যে কাজে নিজের পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়া যায়। উদাহরণ ধরেন আপনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।আরো পড়ূনঃ কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব তার সম্পর্কে জেনে নিন
ওই প্রতিষ্ঠানের নিয়ম হচ্ছে সকাল ৮টায় অফিসে ঢুকতে হবে এবং বিকেল ৫টায় বের হতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটি শুধুমাত্র শুক্রবার। এখন আপনি একদিন অফিসে ঢুকতে দেরি করে ফেললেন। ধরেন ৮টার জায়গায় সাড়ে আট টায় অফিসে ঢুকলেন। এরপরে বস আপনাকে ইচ্ছেমতো যা মনে চায় তাই বললো। আপনি চুপচাপ শুনে গেলেন কারণ আপনার কিচ্ছু করার নাই।
আবার সপ্তাহে শুক্রবার বাদে অন্য কোন দিন ছুটি কাটাতে হলে। অনেক কিছু জবাব দিতে হয়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং পেশা চাকরির থেকে পুরো উল্টোটা। আপনার যখন মন চায় আপনি তখন কাজে বসলেন। আপনার যদি ভালো না লাগে তাহলে কাজ করলেন না। অন্য সময় কাজটি সেরে ফেললেন।
আবার দেখা গেল একদিন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন ওইদিন কাজ করতে পারলেন না। তাহলে ঐদিন আপনি ছুটি কাটালেন। এই সকল কিছুর স্বাধীনতা একমাত্র আপনি ফ্রিল্যান্সিং পেশাতেই পাবেন। এই জন্য ফ্রিল্যান্সিং পেশার টিকে ইচ্ছা স্বাধীন পেশা বলা হয়। এইজন্য এখন অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং পেশার টিকে তাদের জীবিকা নির্বাহ হিসেবে বেছে নিচ্ছে।
ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে
আমি যদি বলি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না। তাহলে কি আমি কথাটি ভুল বলছি। চলেন প্রমান দেখায়। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই আপনার মাথায় এই কথাটি আসবে যে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে। কথাটি মাথার মধ্যে আসাটাই স্বাভাবিক। কারণ আমাদের যে বিষয় সম্পর্কে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্ঞান না থাকে।আরো পড়ূনঃ ১০ হাজার টাকায় ২৫ টির অধিক ব্যবসার আইডিয়া জেনে নিন
সে বিষয়গুলো সম্বন্ধে আমাদের মনের মধ্যে অনেক ধরনের প্রশ্ন জাগে। আর সেটির উত্তর খোঁজার জন্য আমরা সবাই এদিকে ওদিকে খোঁজ করতে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কি লাগে। আমি যদি বলি একটি কম্পিউটার, ইন্টারনেট কানেকশন আর ইউটিউব থাকলে কাজ শিখে নেওয়া যাবে।
ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ভিডিও রয়েছে যেগুলো ভিডিও দেখার জন্য বিনিময়ে কোনো কিছু দিতে হয় না। তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং শিখতে টাকার প্রয়োজন পড়বে না। আপনি কোন বিষয়ে শিখতে চান। সে বিষয়টি নির্ধারণ করুন। আপনি কি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মধ্যে থাকে কোন বিষয়ে শিখতে চান।
গ্রাফিক্স ডিজাইনের লোগো ডিজাইন শিখতে চান। শুধু ইউটিউবে লিখে দিন আমি লোগো ডিজাইন শিখতে চাই। তাহলে দেখবেন অসংখ্য কোর্স চলে এসেছে আপনার সামনে। ওই কোর্সগুলোর মধ্যে যে কোর্সটি আপনার ভালো লাগবে। ঐ কোর্সটির ভিডিও দেখা শুরু করে দিন।
আর সে অনুযায়ী প্র্যাকটিস করতে থাকুন। দেখুন ইউটিউবে কোর্স করার সময় আপনার কিছু সমস্যা থাকবে সেগুলোর সমাধান নিজেকে খুঁজে বের করতে হবে। কারণ টাকা ছাড়া যেকোনো জিনিস শিখতে গেলে একটু সমস্যায় পড়তে হবে। কিন্তু সকল সমস্যারই সমাধান রয়েছে। সেই সমাধানটি নিজেকে খুঁজে বের করতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ
বর্তমানে পৃথিবীর অনেক মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে বেছে নিচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে এই কাজটি স্বাধীনতা বজায় রেখে করা যায়। এই জন্য বর্তমানে অনেক আগ্রহীরা জানতে চান ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ হবে। কারণ তারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিতে চাই। তাইতো নতুনদের কথা মাথায় রেখে ফ্রিল্যান্সিং এ ১৫ টির অধিক নতুন সহজ কাজ।আরো পড়ূনঃ মোবাইল দিয়ে ফাইবারে কাজ ও ফাইবারে কোন কাজের চাহিদা বেশি
যেগুলো কম সময়ের মধ্যে শিখে মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করা যাবে। এমনই কিছু কাজ নতুনদের জন্য খুবই উপযোগী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই তো এর মধ্যে থেকে পছন্দ মত যেকোনো একটি কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা শুরু করতে পারেন। তাহলে আর দেরি না করে শীঘ্রই ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ এবং উপযোগী হবে তা জেনে নিন।
১। লোগো ডিজাইন
বর্তমানে অধিক জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজ হচ্ছে লোগো ডিজাইন। মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজটির ডিমান্ড অনেক বেশি। বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং এ যে কয়েকটি অধিক জনপ্রিয় কাজ রয়েছে। তার মধ্যে লোগো ডিজাইন হচ্ছে অন্যতম। এই কাজটি নতুনদের জন্য সহজ হবে। কিন্তু এই কাজটির ডিমান্ড বেশি হওয়ার কারণে প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। তাই যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সাথে যুক্ত হতে চাচ্ছেন।
তারা প্রথমে কাজটির উপরে দক্ষতা অর্জন করুন। কারণ দক্ষতা ছাড়া কেউ আপনাকে কাজ দিতে চাইবে না। নিজেকে কিভাবে দক্ষ করে তুলবেন। এর জন্য ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের কোর্স রয়েছে অথবা বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং শেখার কোর্স রয়েছে সেগুলো শিখে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন। অনেক নতুন লোগো ডিজাইনার আছে যারা ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস এ কাজ করছে।
এমনকি নতুন ফ্রিল্যান্সাররা লোগো ডিজাইন কাজের মাধ্যমে মাসে ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করছে। তাই আপনিও যদি নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে লোগো ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান। তাহলে নিজেকে প্রশিক্ষণের সাহায্যে দক্ষ করে তুলে কাজ শুরু করে দিন।
২। ফ্লায়ার ডিজাইন
ফ্লায়ার ডিজাইন হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইনের অধিক জনপ্রিয় কাজ। এই কাজটির জনপ্রিয়তার কারণ হচ্ছে কাজটি নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সহজ। আপনি যদি নতুন একেবারে কিছুই জানেন না। তাহলে নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে প্রথম দিকে ফ্লায়ার ডিজাইন কাজটি বেছে নিতে পারেন। এই কাজটি করার জন্য আপনার দক্ষতার প্রয়োজন হবে।
তবে অন্যান্য কাজের থেকে এই কাজটি অনেক সহজ। তবুও যদি কাজের দক্ষতা না থাকে তাহলে কেউ কাজ দিতে চাইবে না। তাই প্রথমে নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের প্রতি দক্ষতা অর্জন করুন। এখন কথা হচ্ছে কিভাবে দক্ষতা অর্জন করা যায়। আপনি দেখবেন ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের কোর্স রয়েছে সেগুলো করতে পারেন। আবার অনলাইনে অনেকে নতুনদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
আবার আপনি অফলাইনও কোর্স করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ আপনার উপরে নির্ভর করবে যে কোনটা ভালো হয়। এই কাজটির ধরন কেমন বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান তাদের কোম্পানির প্রচারের স্বার্থে ডিজাইনটি করে। এই ডিজাইনটির মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, স্থান, স্থাপন এবং প্রতিষ্ঠানটি কি কাজে নিয়োজিত এই তথ্যগুলো উল্লেখ করতে হয়।
ফ্লায়ার ডিজাইন কাজের মাধ্যমে অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার মাসে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে। আপনি যদি নতুন হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উপার্জন করতে চান। তবে আপনার জন্য ফ্লায়ার ডিজাইন কাজটি অন্যতম হবে। তাহলে বসে না থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে থাকুন।
৩। ব্রোশিওর ডিজাইন
আপনি নতুন ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যুক্ত হতে চান। তাহলে আপনার জন্য ব্রোশিওর ডিজাইন কাজটি অন্যতম হবে। এর কারণ হচ্ছে কোন নতুন ফ্রিল্যান্সার যদি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকে। তার জন্য ব্রোশিওর ডিজাইন কাজটি সহজ হবে। কিন্তু যে কোন কাজ করার আগে অবশ্যই সেই কাজের উপর দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।
কারণ বিনা দক্ষতায় কোন কাজের সফলতা পাওয়া যায় না। কিন্তু ব্রোশিওর ডিজাইন করার জন্য তেমন একটা দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে না। এখন এই কাজটি করবেন কিভাবে। এটি করার জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করুন। এরপরে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে গিয়ে পোর্টফোলিও তৈরির মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লাইন্ট এর কাছ থেকে কাজ গ্রহণ করুন এবং সেটিকে সম্পূর্ণ করুন।
তার বিনিময়ে তারা আপনাকে অর্থ প্রদান করবে। ব্রোশিওর ডিজাইন করার মাধ্যমে বর্তমানে নতুন ফ্রিল্যান্সাররা মাসে ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত ইনকাম করছে। বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের সুযোগ সুবিধা, আচার-আচরণ এবং আরো কিছু তথ্য রয়েছে সেগুলো ব্রোশিওর ডিজাইন এর মাধ্যমে তুলে ধরে। আর আপনাকে সেই তথ্যগুলো নিয়ে একটি ডিজাইন তৈরি করতে হবে।
৪। ব্যানার ডিজাইন
আপনি যদি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন। তাহলে আপনার জন্য ব্যানার ডিজাইন কাজটি ভালো হবে। বর্তমানে কাজটির চাহিদা মার্কেটপ্লেস গুলোতে অনেক বেশি। এই কাজটি গ্রাফিক ডিজাইনের আওতায় পড়ে। আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যুক্ত হতে চান। তাহলে ব্যানার ডিজাইন কাজটি উপযুক্ত হবে।
এর কারণ হচ্ছে কাজটি করার জন্য তেমন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবুও কিছুটা দক্ষতা অর্জন করে আপনি শুরু করতে পারেন। কিন্তু ব্যানার ডিজাইন কাজটা কি। বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান, তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রচারের উদ্দেশ্যে রাস্তায় অথবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিল্ডিং এর সামনে যে সকল সাইনবোর্ড থাকে সেটি ব্যানার।
এই উদ্দেশ্য ব্যানার ডিজাইন করা হয়। বর্তমান বাজারে অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার ব্যানার ডিজাইন এর মাধ্যমে মাসে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে। তাই আপনিও যদি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যানার ডিজাইন করে টাকা ইনকাম করতে চান। তাহলে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ডিজাইন করে উপার্জন করতে পারেন।
৫। ইউটিউব থাম্বেল ডিজাইন
নতুনদের জন্য ইউটিউব থাম্বেল ডিজাইনের মাধ্যমে উপার্জন করা খুবই সহজ। বর্তমান সময়ে মার্কেটপ্লেস গুলোতে ইউটিউব থাম্বেল ডিজাইনারের এত চাহিদা যে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে শেষ করতে পারছে না। তাই আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন। আর যদি শুরুতে টাকা উপার্জন করতে চান। তাহলে ইউটিউব থাম্বেলের ডিজাইনার হিসেবে যুক্ত হন।
কিন্তু যেকোনো কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই সে বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আপনি যে বিষয়ের উপর কাজ করবেন যদি দক্ষতা না থাকে তাহলে করবেন কিভাবে। আর দক্ষতা ছাড়া কেউ আপনাকে কাজ দিতে চাইবে না। তাই দক্ষতা অর্জন করুন।
এখন কাজটা কি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওর জন্য থাম্বেল এর প্রয়োজন হয়। আর সেটি আপনাকে তৈরি করে দিতে হবে। ইউটিউব থাম্বেল ডিজাইন করে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা মাসে ১৫ হাজার থেকে পঁচিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে। তাই আপনিও যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে শুরু করতে চান। তাহলে ইউটিউব থাম্বেলার ডিজাইন হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।
৬। ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ
বর্তমানে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ কাজটির চাহিদা অনেক বেশি। এই কাজটি নতুনদের ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য খুবই উপযোগী। ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করার জন্য কোন দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে না। তাহলে এই কাজটি করতে হয় কিভাবে। কাজটি হচ্ছে যে কোন ছবির পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ অথবা সরিয়ে ফেলা। এই কাজটি আপনি করতে পারেন এডোবি ফটোশপ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। আরো অনেকগুলো সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কাজটি করা যায়।
তবে সব থেকে উপযোগী মাধ্যম এডোবি ফটোশপ। ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ কাজ এর মাধ্যমে মাসে ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে। এই কাজটি এতটাই সহজ যে, বর্তমানে এই কাজের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। ব্যাকগ্রাউন্ড রিমু ভ কাজটি করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। ওই মার্কেটপ্লেস গুলোর মাধ্যমে এই কাজ করা যায়। আপনিও যদি এই কাজের মাধ্যমে উপার্জন করতে চান। তাহলে আজ থেকে শুরু করে দিন।
৭। ডাটা এন্ট্রি করে ইনকাম
সহজ কাজের যদি একটি কাতার করা হয়। তাহলে ডাটা এন্ট্রি প্রথমের দিকে থাকবে। বর্তমানে নতুনদের ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কাজটি সহজ মাধ্যম। কোন প্রতিষ্ঠান অথবা কোম্পানির ডাটা এক্সেল শীটে একত্রিত করন করা। যাতে করে প্রতিষ্ঠানটি আপনার একত্রিত করন ডাটাগুলো নিয়ে কোন কাজ করতে পারে। এটি হলো ডাটা এন্ট্রির কাজ।
এই কাজ করানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ দিয়ে থাকে। আপনাকে মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে কাজগুলো নিতে হবে। মার্কেটপ্লেসগুলোর মাধ্যমে নতুন ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করছে। আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন। তাহলে আপনার জন্য এই কাজটি অনেক উপযোগী হবে।
৮। ভাষা অনুবাদক
মার্কেটপ্লেসগুলোতে আসা অনুবাদকের চাহিদা অনেক বেশি। এই কাজের জন্য কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। তাই নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কাজটি উপযোগী হবে। আপনি যদি বিভিন্ন ধরনের ভাষা অনুবাদ করতে পারেন। তাহলে এই কাজটি আপনি করতে পারবেন। আর যদি না জেনে থাকেন তাহলে ভাষা শিখতে হবে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজটি করে মাসে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করছে। তাই আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে থাকেন তাহলে কাজটি আপনার জন্য সহজ হবে।
৯। বিজনেস কার্ড ডিজাইন
আপনি যদি একজন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান। তাহলে বিজনেস কার্ড ডিজাইন এর মাধ্যমে উপার্জন করতে পারেন। নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে খুবই তাড়াতাড়ি কাজ পাওয়া যায়। বিজনেস কার্ড ডিজাইনার হিসেবে আপনার নতুন ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা শুরু করতে পারেন।
এই কাজটি চাহিদাও মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক বেশি এবং অন্যান্য কাজের তুলনায় এই কাজটি অনেক সহজ। বিজনেস কার্ড ডিজাইন কাজটা কি। কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার, ইমেইল এবং ফেসবুক পেজ সহ আরো কিছু তথ্য একত্রিত করে কার তৈরি করতে হয়। আর এই কার্ড তৈরি করার জন্য বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ দিয়ে থাকে।
এই কাজটি করার জন্য এডোবি ইলাস্ট্রেটর অথবা এডোবি ফটোশপ প্রয়োজন হয়। কাজটি করার জন্য কিছুটা দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে। কারণ দক্ষতা না থাকলে, কেউ কাজ দিতে চাইবে না। বিজনেস কার্ড ডিজাইন কাজের মাধ্যমে মাসে ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছে।
১০। আর্টিকেল রাইটিং
বর্তমান সময়ের অধিক কাজ হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং। নতুন ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অথবা শুরু করার জন্য এটি সহজ মাধ্যম। কোন প্রতিষ্ঠানের অথবা কোন ওয়েবসাইটের আর্টিকেল প্রয়োজন পড়ে। তারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে আর্টিকেল ফাইটার চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে।
তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আর্টিকেল রাইটিং বেছে নিতে পারেন। কারণ বর্তমান সময়ে কাজটির মাধ্যমে মাসে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা যায়। তাই আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ নিতে পারেন।
১১। ছবি এডিটিং
ছবি এডিটিং করার মাধ্যমে আপনার ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা শুরু করতে পারেন। একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ছবি এডিটিং করা উপযোগী হবে। তবে এই কাজের জন্য দক্ষতার প্রয়োজন। আপনার যদি ছবি এডিটিং সম্পর্কে ধারণা না থাকে। তাহলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অথবা বিভিন্ন কোর্স করার মাধ্যমে দক্ষতাটি অর্জন করতে পারেন। এই আধুনিক যুগে ছবি এডিটরের চাহিদা অনেক বেশি। এই কাজে মার্কেটপ্লেস গুলোতে প্রতিযোগিতা বেশি।
আর প্রতিযোগিতা বেশি হওয়া মানে, ইনকাম বেশি। তাই নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে যাত্রা শুরু করার জন্য এটি সহজ মাধ্যম। যদি আপনার ছবি এডিটিং বিষয়ে আগ্রহ থাকে তাহলে কাজ শুরু করে দিন। একজন ছবি এডিটর বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে মার্কেটে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে। অনেকে আছে এর বেশিও ইনকাম করে।
১২। ভিডিও এডিটিং
বর্তমান সময়ে মার্কেটপ্লেস গুলোতে ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা অনেক বেশি। একজন ইউটিউবার তার ভিডিও এডিট করতে চাই। একজন টেলিফিল্ম মেকার তার টেলিফিল্ম এডিট করতে চাই। এভাবে করে প্রত্যেকটি ভিডিও মেকার তার ভিডিওগুলো এডিট করার জন্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে যায়। কিন্তু ভিডিও এডিট করার জন্য দক্ষতার প্রয়োজন। যদি আপনার দক্ষতা না থাকে তাহলে প্রশিক্ষণ অথবা বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এডিটিং এর কোর্স রয়েছে সেগুলো করতে পারেন।
আবার ইউটিউব এর মাধ্যমেও শিখতে পারেন। শিখে এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে এই সকল মেকাদের কাছ থেকে কাজ নিতে পারেন।একজন ভিডিও এডিটর মাসে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে। কেউ এর বেশি উপার্জন করে থাকে। সেটি তার কাজের উপরে নির্ভর করে। তাই আপনি নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে যদি ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে আগ্রহ থাকে। তাহলে আজ থেকেই শুরু করে দিতে পারেন।
১৩। টি শার্ট ডিজাইন
আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে থাকেন। তাহলে মার্কেটপ্লেস গুলোতে টি-শার্ট ডিজাইন করে উপার্জন করতে পারেন। মার্কেটপ্লেস গুলোতে টি শার্ট ডিজাইনারের চাহিদা অনেক বেশি। বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি টি-শার্টগুলোর ডিজাইন খুঁজে থাকেন। আর এই ডিজাইন খোঁজার জন্য তারা মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের বিজ্ঞাপন দেয় অথবা কাজ দেওয়ার জন্য সেলার খুজে। একজন টি শার্ট ডিজাইনার মাসে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে। তাই আপনি টি-শার্ট ডিজাইনার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং যাত্রা শুরু করতে পারেন।
১৪। ভেক্টর ট্রেকিং
মার্কেটপ্লেস গুলোতে ভেক্টর ট্রাইকিংয়ের কাজ অসংখ্য রয়েছে। এই সকল ভেক্টর ট্রাকিং এর কাজ দিয়ে থাকে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি। তাদের কোম্পানির লোগোকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস গুলোতে ভেক্টর ট্রাকিংয়ের কাজ দিয়ে থাকে। এইসব কাজের ডিমান্ডও অনেক বেশি। কিন্তু এই কাজগুলো করার জন্য দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে। কারণ বিনা দক্ষতায় কেউ আপনাকে কাজ দিবে না। তাই আপনার যদি এই কাজ সম্পর্কে দক্ষতা না থাকে। তাহলে আপনি দক্ষতা অর্জন করুন। ভেক্টর ট্রাকিং করে একজন ফ্রিল্যান্সার মাসে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করে থাকে।
১৫। জুয়েলারী ডিজাইন
আপনি যদি নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন করতে চান। জুয়েলারি ডিজাইনার হিসেবে মার্কেটপ্লেস গুলোতে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন জুয়েলারি সবগুলো তাদের জুয়েলারের ডিজাইন প্রয়োজন হয়। তাই তারা বিভিন্ন ধরনের জুয়েলার ডিজাইনার খোঁজে। আর তারা এই খোঁজ চালায় বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেসগুলোতে। তাই আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে যাত্রা শুরু করতে চান। জুয়েলারি ডিজাইনার হিসেবে যুক্ত করতে পারেন।
১৬। বইয়ের কাভার ডিজাইন
মার্কেটপ্লেস গুলোতে বইয়ের কাভার ডিজাইনারের চাহিদা অনেক বেশি। কারণ বিভিন্ন ধরনের লেখক এর বইয়ের কাভারের ডিজাইনারের প্রয়োজন পড়ে। তারা সুন্দর সুন্দর বইয়ের কাভার ডিজাইন খুঁজে বেড়াই। তাই আপনি যদি নতুন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে যাত্রা শুরু করে থাকেন। তাহলে বইয়ের কাভার ডিজাইনার হিসেবে মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করতে পারেন। কিন্তু এর জন্য দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আপনার যদি দক্ষতা না থাকে তাহলে তা অর্জন করতে হবে। দক্ষতা ছাড়া মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করা সম্ভব না।
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন
অনেকে জানতে চেয়েছেন যে ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার কেমন। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ এ বিষয়টি জেনে থাকেন তাহলে অনেকটাই ক্লিয়ার হয়ে যাবেন। তবুও এই সম্পর্কে বলতে গেলে বর্তমান সময়ে অধিক জনপ্রিয় একটি পেশা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং অধিক জনপ্রিয় হওয়ার কারণ এটি মুক্ত পেশা এবং পেশা হিসেবে এটি অনেক উপযোগী। বর্তমানে অনেক বাঙালি যুবক ফ্রিল্যান্সিংকে তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে এমনকি তারা সফলতা পেয়েছে।
তবে ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে হলে আপনার ধৈর্য শক্তি থাকতে হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং এর যদি আপনার ধৈর্য না থাকে এবং কঠোর পরিশ্রম করার মত আগ্রহ না থাকে। তাহলে ফ্রিল্যান্সিং পেশাটি আপনার জন্য নয়।
এইখানে কাজ করতে হলে কাজের প্রতি ভালোবাসা, কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্য শক্তি এই তিনটি থাকতে হবে। তা না হলে আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিন। তাহলে আপনাকে হতাশ হতে হবে। এমন অনেক কম মানুষই আছে যারা কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য ছাড়া সফলতা পেয়েছে। তাই ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার হিসেবে অনেক ভালো।
১। ফ্রিল্যান্সিং অর্থ কি?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং অর্থ হচ্ছে স্বাধীন পেশা।
২। ফ্রিল্যান্সিং এর জনক কে?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিংয়ের জনক বলতে ১৮১৯ সালে লেখক ওয়াল্টার স্কট এই কথাটির উৎপত্তি করেন। আর ফ্রিল্যান্সিং কথাটির অর্থ হচ্ছে স্বাধীনতা। এরপর থেকেই এই কথাটির উৎপত্তি শুরু হয়।
৩। ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?
উত্তরঃ ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্ত পেশা অথবা আপনি বলতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা তাই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।
৪। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সেলার কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ একটি মার্কেটপ্লেস থেকে যে ব্যক্তি কাজ নিয়ে থাকে তাকে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সেলার বলা হয়।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায় যে আমরা সকলেই মুক্ত থাকতে চাই। স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে চাই। আর এর জন্য আমরা সবাই স্বাধীন পেশা খুঁজতে থাকি। আর সেই স্বাধীন পেশাটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। কারণ এই পেশার মাধ্যমে অনেকেরই জীবন উন্নত হচ্ছে। আর এটি দেখে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক নতুনরা এই কাজে যুক্ত হতে চাচ্ছে। নতুনদের জন্য এই সেক্টরে অনেক প্রতিযোগিতা করতে হবে। তবুও কিছু সহজ কাজ রয়েছে। যেগুলো দ্বারা তারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবে। তাই পুরো পোস্টটি পড়ে সে অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করুন সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ।
শেষ কথাঃ আসসালামুয়ালাইকুম প্রিয় পাঠক। আশা করি পুরো পোস্টটিতে ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজ নতুনদের সহজ এই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে উপকৃত হয়েছেন। আর যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন। ভালো থাকবেন পুরো তথ্যটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এসএইচ নিউজস্টোরের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url